রোবোটিক হিরো
সাদিয়া নওরিন
পর্ব--- ২৩।। অন্তিম পর্ব
ইয়ুতের মনে হলো সে আজ পৃথিবীর শেষ্ঠ সুখী মানুষ!! প্রানখুলে হেসে যেই পিছনে ঘুরল দেখলো পিটার এড্যাম আর পুলিশ দাড়িয়ে আছে.. সে রশিকতা করে বলল--- সিনেমার মতো পুলিশ দেরিতে আসছে দেখছি.. কিন্তুএইটা সিনেমা নয় এইটা রিয়েল তাইতো হিরোর হিরোগিরি বেরিয়ে সে গিরিখাতে গিয়ে ঠেকেছে... এড্যাম তাকে তেড়ে মারতে গেল কিন্তু পিটার তাকে থামিয়ে বলল-- ছুঁচো মেরে হাত পচানোর মানে হয় না এড্যাম.. হঠাৎ এ্যান্জি ধুপ করে মাটিতে ঢলে পড়লো... ইয়ুত ফ্লোরকাপানো হাসি দিয়ে বলল-- ওফস... হিরোইনটাও বোধহয় গেল...
পিটার পুলিশের দিকে অগ্নিদৃষ্টি নিক্ষেপ করে বলল --- একে কি নিয়ে যাবেন?? নাকি এখানেই পুতে ফেলব??
পুলিশ বিনম্র ভাবে সরি বলে সবাইকে হাতকড়ি পড়িয়ে দিল.. হঠাৎ পানিতে ঝুপ করে শব্দ হয়. পিটার আর এ্যাডাম দৌরে সেখানে পৌঁছালো আর সিনকে পানিতে সাতরাতে দেখে অবাক হয়ে যায় তারা.. সিন আর এ্যাডাম ন্যামকে শক্ত করে ধরে ওপরে নিয়ে আসে... এড্যাম ধুপ করে সিনের পাশে বসে পড়ে আর কাপা কাপা স্বরে বলে-- ন্যাম ডিস্ট্রয় হয়ে গেছে সিন...
সিন সেদিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে বলে-- কিছুই হবে না আমার ভাইয়ের!! আমি সবাইকে হারিয়েছি.. ভাইকে হারাতে পারবো না আর.. এইবলে সে এ্যাম্বুলেন্সকে কল দেয়..
পিটার বোঝতে পারছে না সিনের মাথায় কি ঘটছে. কিন্তু তার মন বলছে সিনের মনে ন্যামের প্রতি ভালোবাসা সৃষ্টি হয়েছে..
সাইন্টিস্ট ডুমেন্ট কিছু বিষয় নিয়ে রিসার্চ করছিল.. হঠাৎ সিন স্টেচার করে ন্যামকে নিয়ে ল্যাবে ডুকলো.. তিনি অবাক চোখে সিনের দিকে তাকালো.. সিন তার সামনে এসে ধুপ করে বসে পড়লো...
ডুমেন্ট জিঙ্গেস করাতে এড্যাম হরহরিয়ে যা যা হয়েছে সব তাকে বলতে লাগলো.. ডুমেন্ট ন্যামকে তাড়াতাড়ি টেসটিউবের মধ্যে ডুকিয়ে দেয় আর তার পরিক্ষা করতে থাকে..
সিন সেইখানেই চুপ করে বসে নিস্পলভাবে তাকিয়ে রইল।
অনেকখন ধরে পরীক্ষা নিরিক্ষার পর ডুমেন্টের মুখ খুশিতে উজ্জ্বল হয়ে ওঠলো.. তিনি টিউবের কাছ থেকে সরে যেই সিনের সামনে এসে দাড়াতেই এ্যাডাম তাকে ধরলো.. আর উদ্বেগের সাথে জিঙ্গেস করলো--- ন্যামের কি অবস্হা ডঃ??
সিন তখন বিরবির করে বলল-- আমি মেরে ফেলেছি আমার ভাইকে...
ডুমেন্ট সিনের কাধে হাত রেখে বলল-- তুমি বাচিয়েছ তোমার ভাইকে সিন.. রোবোট জিবন থেকে মুক্তি দিয়েছ তাকে.. চায়লে তুমি তাকে মানুষ হতে সাহায্যও করতে পার..
সিন বিস্ফারিত চোখে তাকালো তারপর বলল-- তা কিভাবে..
ডুমেন্ট মৃদু হেসে বলল-- লি সিনের হার্ডে যে ডিভাইসটা বসিয়েছিল তা অনেকদিন যাবত নিজের স্হান থেকে সরে যাচ্ছিল.. যখন তুৃমি কিলিং সুইচ টিপ দাও কোন কারনে লি তখন ন্যামের সেই ডিভাইসটা ডিএক্টিভেইট করে ফেলে.. আর তারপর ন্যামের হার্ড সক্রিয় হয়ে ওঠে.. সাথে হার্ডবিটও.. আর পানিতে পড়াতে ন্যামের ডিভাইসে পানি ডুকে যায় এতে কিলিং এ্যাক্টিভেটিং অফ হয়ে যায়. সাথে তার রোবোটিক শরীর ও.. কিন্তু তার সেই মানুষের হৃদয় এখনো বিট করছে মানুষের মতো.. তার মানে সে বাচতে চায়.. কারো জন্য...!!
সিন নিস্পল হয়ে বলে--এ্যান্জির জন্য ডঃ.. তারপর এ্যাডামে ডেকে বলল-- এ্যাডাম এ্যান্জির যত্ন নাও.. আমার ভাই ওঠলে খুঁজবে তাকে।।
---- এ্যান্জি ভালো আছে.. ডাঃ রা ওকে ঘুৃমের অসুধ দিয়ে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে. এইবলতে বলতে স্মিত রুমে প্রবেশ করলো. হাতে একটা ফাইল!! ডুমেন্ট ফাইলের দিকে তাকিয়ে উৎফুল্ল হয়ে বলল-- উইলিয়ামের রিসার্চ!!
সিন ফাইলটি দিকে তাকিয়ে অনুশোচনা ভরা কন্ঠে বলল--- এই ফাইটা আমি ফেলে দিয়েছিলাম.. কতো খারাপ আমি..
পিটার সিনের কাধে হাত দিয়ে বলল-- সিন মানুষ মাত্রই ভুল করে তারাই শ্রেষ্ঠ যারা নিজের ভুল থেকে শিখে.. সিন নিজের দাদাকে শক্ত ভাবে জরিয়ে ধরলো আর সরি বলল.. হঠাৎ ডুমেন্ট চিন্তিত ভঙ্গিতে তাদের সামনে আসলো আর বলল-- এইভাবে ন্যামকে তার বয়স পনেরোর ভিতরে ঠিক করা সম্ভব ছিল.. কিন্তু এখন তার বয়স বাইস.. বড্ড দেরি হয়ে গেল. সুস্হ হওয়ার চান্স ৪০%. সিন রেগে ডুমেন্টের দিকে তাকিয়ে বলল-- আপনার কাছে আর কোন উপায় আছে??
ডুমেন্ট মাথা ধোলাল.. তখন সিন রেগে বলল-- তাহলে এইটাই করেন.. আমি নিশ্চিত আমার ভাই ঠিক হয়ে যাবে..৪০% চান্স কম না...
ডুমেন্ট তার কাজ শুরু করে দিল সাথে স্মিত ও সিনও সাহায্য করতে লাগলো.. সিনের হাত কাপছে.. তখন স্মিত তার হাত ধরে বলল-- তুমি ডঃ সিন.. সবাই বলে তোমার হাতে ম্যাজিক আছে!! তাহলে কাপছ কেন। তোমার ভাই.. তোমাকে বাঁচাতেই হবে...
ডুমেন্ট অনেকগুলো ইন্ডেকশন পুস করলো ন্যামের শরীরে.. সাথে নানা ক্যামিকেলের মিশ্রন ও।
আচমকা সে ধুপ করে বসে পড়লো.. তারপর বিরবির করে বলল-- আমরা হয়তো হেরে যাব..
সিন শক্ত করে ধরে বলল-- আমরা হারবো না ডঃ.. আর কি দরকার??
তখন ডুমেন্ট বলল-- ন্যামের প্যাপিলোমা দরকার.. তার শরীরের শ্বেতকনিকার পরিমান অনেক কম.. এতোটা কম যে সে মারা যাবে.. আর তার শরীরে ব্রোনমেরু ও নেয়.. তাই সে শক্ত হয়ে দাড়াতে পারবে না...
সিন দৃঢ় কন্ঠে বলল-- না তাকলে দেওয়া যায়.. তখন এ্যাডাম, স্মিত, পিটার বলল-- আমরা দিব প্যাপিলোমা!!
তখন ডুমেন্ট বলল-- আর ব্রোনমেরু?? ঐটা ওর নিজের ডিএনএ লাগবে...
সিন তার মুখের দিকে তাকিয়ে বলল-- কেন. আপনার সামনে ন্যামের জলজান্ত ডিএনএ বসে আছে আপনি দেখছেন না??
ডুমেন্ট বিস্ফোরিত চোখে বলল-- সিন.. যদি অপারেশন কোন কারনে ফেইল হয়।সব চলে যাবে.. আর তুমি নিজেও পঙ্গুত্বতে ভোগবে.. অনেক উইক হয়ে যাবে.. হাটাচলা যদিও সব করতে পারবে কিন্তু তোমার কিছু প্রবলেমও পরতে হবে.. কোন হেভি কাজ করতে পারবে না। আর.
সিন তাকে থামিয়ে বলল-- আমি কি হালের কাজ করতে যাব মাঠে??
তখন ডুমেন্ট অধৈর্য ভঙ্গিতে বলল-- যদি নিঃসন্তান হয়ে যাও.. যদি তোমার পিতা হওয়ার ক্ষমতা চলে যায়..
সিন হাত উচিয়ে বলল-- আই ডোন্ট কেয়ার.. আমার ভাই লাগবে.. আর কিছু না.. আপনি অপারেশন শুরু করুন..
আপরেশন শুরু হলো.. প্যাপিলোমা আর ব্রুনমেরু ও দেওয়া হলো ন্যামকে.. আর সাথে সকল ক্যামিকেল ও.. ন্যামের চোখেরও দরকার..জরুরী বিভাগে চোখের ও প্রতিস্থাপন হলো.. এখন শুধু ন্যামের সেন্স আসার অপেক্ষায়...
সবাই অনেক বেশি হতাশ.. ২৪ ঘন্টা পেরিয়ে গেছে. কিন্তু ন্যামের সেন্স আসছে না.. শেষে সিন আস্তে আস্তে গিয়ে ন্যামের পাশে দাড়ালো আর আলতোভাবে তাকে ঝাকিয়ে বলল-- ন্যাম,, আমি একা হয়ে গিয়েছি.. তুমি নাকি মম কে প্রমিস করেছ আমার সাথে থাকবে তাহলে এখন এমন করছ কেন?? ফিরে এসো.. এইবলে সিন তারপাশে দাড়িয়ে কান্না করতে লাগলো...
হঠাৎ ন্যাম নড়ে ওঠলো আর আস্তে আস্তে চোখ খুলল..আর অস্ফুটভাবে বলল-- সিন!!
সিন কান্না করতে করতে ন্যামকে জড়িয়ে ধরলো.. ডুমেন্ট সিনের কাধে হাত দিয়ে বলল-- তোমার ভাই এখন মানুষ.. আর সে সব করতে পারবে.. তারপর মৃদু হেসে বলল-- তুমি করে দেখিয়েছ সিন.. সিন হেসে ডঃকে জড়িয়ে ধরলো...
আজ দুমাস হলো এ্যান্জি হাসপাতাল থেকে নিজের বাসায় এসেছে।। বাড়িপাশে সাগরপাড়ে বসে আছে সে.. দৃষ্টি সাগর ছাড়িয়ে দূর আকাশে.. ন্যামের পানিতে পড়ে যাওয়ার দৃষ্য এখনো তার চোখে দৃষ্যমান!! বুকের মাঝে জমাট বাধা কষ্ট যেন আর সহ্য হচ্ছে না তার। সে নিন্সকে নিয়ে গল্প করতে লাগলো আর লুকুচুরি খেলতে লাগলো.. হঠাৎ তার সামনে সিন এসে দাঁড়ালো.. এ্যান্জি রেগে তার থেকে চোখ সরিয়ে নিল..
সিন হালকা মাথা নিচু করে ফেলল তারপর আবার তুলে বলল-- আমার তোমার সাথে কিছু কথা ছিল... এ্যান্জি রেগে হাটতে হাটতে বলল-- আপনার সাথে কোন কথা নেয় আমার. এইবলে পিছনদিকে তাকিয়ে হাটতে লাগলো.. হঠাৎ এ্যান্জি কারো বুকের সাথে বারি খেল!! রেগে কিছু বলার আগে একটি মিষ্টি শোভাস তার নাকে এলো!! এ যে তার ন্যাম.. এ্যান্জি চোখ তুলে তাকালো.. আর যা দেখলো সে অবাক হয়ে রইলো.. সে হাত দিয়ে চোখ কচলে বলল-- ন্যাম তুমি??
ন্যাম মুচকি হেসে বলল-- হুম.. দুই মাস ধরে ট্রিটমেন্ট চলছিল...
এ্যান্জি চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে ন্যামের দিকে তেড়ে গেল আর এলোপাথাড়ি মারতে মারতে বলল-- তুুমি এতোদিনপর। আমার সাথে দেখা করছ।। যান কতো কষ্টে ছিলাম...
হঠাৎ চমকে ওঠে ন্যামকে ধরে বলল-- ন্যাম তোমার বডি.. এতো সফট কেন...যেন মানুষ..
সিন হেসে সামনে এসে বলল-- কারন ও মানুষ তাই.. আমার ভাই..
এ্যান্জির মনে হলো স্বপ্ন দেখছে.. সে বোকার মতো তাকিয়ে বলল-- ন্যাম সত্যি!!!!
ন্যাম মাথা ঝাকালো আর কি কি হয়েছে তা সংক্ষেপে জানালো..
এ্যান্জি সিনের দিকে দ্বিধামিশ্রিতভাবে তাকালো আর আমাতাআমাতা করে বলল-- আসলে সিন।। সরি.. আমি..
সিন হেসে বলল-- ইটস ওকে ভাবি.. শোধ না হয় বিয়ের পর নিব..
ন্যাম খিলখিলিয়ে হেসে দিল আর এ্যান্জি লজ্জায় মাথা নুইয়ে ফেলল...
হঠাৎ সিন তার পিছনে কারো হাত অনুভব করলো!! পিছনে ফিরতেই সে তাকে জড়িয়ে ধরলো আর ফুফিয়ে কান্না করে দিল..
তখন পিটার তাদের সামনে এসে দাড়ালো আর রশিকতা করে বলল-- অাচ্ছা এ্যামি।। কান্না এখন কেন করছ?? বিয়ের দিন যাতে কান্না না আসে.. সমস্যা নেই ওয়াটারপ্রুফ মেইকআপ থাকবে তো... সবাই অট্টহাসিতে পেটে পড়লো..
দেখতে দেখতে আরো নয় মাস কেটে গেল.. সিন আর ন্যাম দুইজনই এখন অনেকটা সুস্হ.. ডুমেন্ট এইটাও বলছেন.. ন্যাম আর সিন তাদের পিতৃত্ব হারাইনি.. এ কথা শুনে সিন জুরে শোরে একটা নিশ্বাস ফেলেছে আর বলেছে--- ভাগ্য ভালো না হয় আমার আব্বার আমাদের জন্মের মেডিসিন এইটা লাগতো আবার।। আর এইকথার বদলে ন্যামের থেকে যে কানমলা খেয়েছে সেইটা অন্যহিসেব..
সিনের কথামতো আজ তারা একই ড্রেস পড়েছে.. সিনের ভাষামতে মেয়েগুলোকে কন্ফিউস্ট করে দিব আমরা ভাই.. বদলে ন্যাম একটা বাকা হাসি উপহার দিয়ে তাকে যার মাথামন্ডু কিছুই বোঝলো না সে..
হুয়াট শুটকোর্ট পড়েছে দুইজনেই সাথে ব্লেক সু। চুল ভলিউম করে সাজানো। বের হতেই প্রিন্সার সামনে পড়লো তারা..
প্রিন্সা পরম আদরে মাথায় হাত বুলিয়ে দিল তাদের.. চোখে পানি চিকচিক করছে তার.. এই কান্না হয়তো নিজের ভাইকে মনে করে অথবা ছেলের বিয়ে সেই খুশিতে!! সে যাই হোক. ভালোবাসা মিষ্টি স্পর্শ পেয়ে দুই ভাইই মৃদু হেসে দিল.. পিন্সা হেসে বলল--- কিরে আমার বাবাদের তো আজ চেনাই যাচ্ছে না.. পাশ থেকে ইয়েম এসে বলল-- বৌরানীরা ঠিকই চিনবে..
সিন মুখ বাঁকিয়ে বলল-- তোর বৌরানীরা দেখবি কিভাবে নাকানিচুবানি খাবে..
ইয়েম হেসে বলল-- তুমি তো ছোট ভাইয়া তাই না.. আমি ই চিনছি.. আর বাকিদের কি বলবো..
পিন্সাআর পিটার জোরে হেসে দিল..আর বলল-- শান্ত হয়ে থাকবি তাহলে চিনবে না...ন্যাম মুচকি হেসে মাথা ঝুকালো...
গাড়ি চার্জে এসে দাঁড়ালো।। চার্জটা অনেক সুন্দর করে সাজানো.. নানা রংএর অর্কিট দিয়ে সুসজ্জিত!! আর পাশে কিছু মেয়ে ভায়োলেন বাজাচ্ছে..
সিন ভেতরে ডুকে থমকে দাঁড়ালো!! দুইজন সেইম হুয়াট আর লেমন গাউন আর মাথায় সাদা পুরো টাইরা ঘোমটা দেয়া... সিন ন্যামের দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল-- ভাই,, স্কেন করে বলনা.. কোনটা কে??
ন্যাম মাথাটা হালকা ঝাকিয়ে বলল-- সিন, আমি এখন মানুষ তোর মতো.. আমার পাওয়ার শেষ..
সিন ঠোট বাকিয়ে বলল-- কি ভাই.. কোন কাজে লাগনা আমার তুমি..
ন্যাম মুচকি হেসে বলল-- কি দরকার এতো চিনার তোর..
সিন মুখ ফুলিয়ে-- যে চিনতে পারবে অন্যজনের তার কথা শুনতে হবে ১ বছর ধরে তাই...
ন্যাম হেসে দিল.. তারপর বলল-- ঐটা তোর এ্যামি.. এইবলে ডানপাশের টাকে দেখিয়ে দিল..
সিন অবাক হয়ে বলল-- কিভাবে চিনলে..
ন্যাম হেসে বলল-- আমার এ্যান্জিকে আমি চিনি তাই..
দুইজন হেসে কথোপকথন এর মাধ্যমে স্টেজে ওঠে এলো.. এ্যামি সিনকে তার পাশে দারাতে দেখে হালকা হতাশ হলো কিন্তু আবার মন খুশিতে ভরে ও উঠলো.. কারন তার সিন তাকে চিনে... অন্যদিকে এ্যামি আড়চোখে ন্যামকে দেখছে. সত্যি আজ সিনকে ও ন্যামের মতো লাগছে.. আসলে মানুষের মন সুন্দর হলে তাকে যেকোন রুপে সুন্দর লাগে..
পাদ্রি বিয়ে পড়িয়ে দিল আর এ্যান্জি আর এ্যামি নিজেদের টাইরা সরিয়ে দিল.. ন্যাম আর সিন বুকের বা পাশে হাত দিয়ে দুই পরিকে দেখছে.. তাদের মিষ্টি হাসি যেন দুই ভাইয়ের মনে ভালোবাসার ঝংকার তুলছে.. আর তাদের এই তাকানো দেখে মেয়েদুইটি যেন লজ্জায় লাল থেকে আরো লাল হচ্ছে...