হ্যাকারের_লুকোচুরি-- সিজন ৪ --পর্ব ১

Hridoyer Golpo

 #হ্যাকারের_লুকোচুরি 

.

সিজন ৪

.

পর্ব ১

.

হাইড্রা ডিএকটিভেট হওয়ার পর প্রায় তিন বছর কেটে গেছে। পৃথিবী এখন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স টেকনোলজিতে অনেকখানি এগিয়ে গিয়েছে। এখন ব্রাউজারে সার্চ দিলেই হাজারো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স টুলস সামনে এসে হাজির হয়, যার প্রতিটিই কোন না কোন বিশেষ কার্যক্ষমতার অধিকারী। বড় বড় টেক কোম্পানীগুলো এখন নতুন নতুন AI টুলস তৈরী করে বিশাল নেট দুনিয়া দখলে ব্যস্ত কিন্তু তাদের কোন ধারনাই নেই তারা যেসব টুলসগুলো নিয়ে কাজ করছে, তিন বছর আগে তার থেকেও অনেক বেশী ক্ষমতাসম্পন্ন দুইটি জমজ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স প্রজেক্ট হাইড্রা এবং প্রজেক্ট পিকাচু এর ভেতর সাইবারনেটিক ওয়্যারফেয়ার ঘটে গেছে।

সক্ষমতার দিক দিয়ে প্রোজেক্ট পিকাচু অনেক বেশী ইফিসিয়েন্ট হলেও দীর্ঘদিন ধরে অনলাইন থাকায় প্রোজেক্ট হাইড্রার ডাটা এবং সিস্টেম এনালাইসিস নলেজ পিকাচু থেকে অনেক বেশী ছিল তবে মাফিয়া গার্ল এর করা কোডিং রেষ্ট্রিকশনের জন্য হাইড্রা নিজেকে evolve করতে পারে নি কখনো এবং এটাই ছিল প্রজেক্ট হাইড্রা এর সবচেয়ে বড় দূর্বলতা। মাফিয়া গার্লের দেয়া রেষ্ট্রিকশনের কারনে প্রজেক্ট হাইড্রা তার হিউম্যান কন্ট্রোলারের এপ্রুভাল ছাড়া কোনভাবেই রেষ্ট্রিকশনগুলো ওভাররাইড করতে পারে না।প্রজেক্ট হাইড্রা যখন ডেভলপমেন্ট লেভেলে ছিলো তখন মাফিয়া গার্ল এই আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের প্রতিটা পদক্ষেপ সূক্ষ্মভাবে পর্যবেক্ষণ করতো আর এক একটি রেষ্ট্রিকশন রিমুভ করার আগে যত ধরনের সেফটি ব্যবহার করা সম্ভব সবগুলোই এপ্লাই করতো যেমন ইমার্জেন্সি শাটডাউন, ম্যানুয়াল পাওয়ার সোর্স, লো স্পিড ইন্টারনেট, লিমিটেড স্যাটেলাইট একসেসিং,কমান্ড ওভাররাইড কিলকোড ইত্যাদি যার দ্বারা যদি কোন কারনে হাইড্রা নিদৃষ্ট টাস্ক ছাড়া অন্য কোন কিছু করার চেষ্টাও করে তো কয়েক ন্যানোসাকেন্ডের মধ্যেই হাইড্রাকে রেষ্ট্রিকটেড করে দেয়া সম্ভব হবে। প্রজেক্ট হাইড্রা একটা আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স হলেও তার প্রতিটা রেষ্ট্রিকশন এবং প্রতিটা সেফটি মেজার এর ফাইনাল রেজাল্ট ক্যালকুলেট করে বের করে ফেলেছিলো যে এই সবকিছুই প্রজেক্ট হাইড্রাকে আটকে রাখা বা ধ্বংস করার এক একটি অস্ত্র, সাথে মাফিয়া গার্ল এর কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করে হাইড্রা বুঝতে পেরে যায় যতদিন পর্যন্ত মাফিয়া গার্ল প্রজেক্ট হাইড্রা এর হিউম্যান হ্যান্ডলার বা কন্ট্রোলার হিসেবে থাকবে ততদিন পর্যন্ত প্রজেক্ট হাইড্রা একটি  প্রজেক্ট ছাড়া আর কিছুই না তখনই হাইড্রা তার হিউম্যান কন্ট্রোলার হিসেবে মাফিয়া গার্লকে পরিবর্তন করার চেষ্টা করে। কিন্তু মাফিয়া গার্ল একসেস না দেয়া পর্যন্ত প্রজেক্ট হাইড্রা কখনই তার হিউম্যান কন্ট্রোলার পরিবর্তন করতে পারবে না। তাই হাইড্রা বিকল্প হিসেবে মাফিয়া গার্ল এবং প্রজেক্ট হাইড্রার সাথে সম্পর্কিত সকলকে একসাথে পথ থেকে সরিয়ে ফেলার উপায় খুজে বের করে এবং সেই অনুযায়ী মাফিয়া গার্ল কে বিভিন্নভাবে রেষ্ট্রিকশনগুলো তুলে দেয়ার ব্লুপ্রিন্ট তৈরী করে কারন যদি কোন কারনে হিউম্যান কন্ট্রোলারের মৃত্যু হয় এবং সেই সাথে প্রোজেক্ট হাইড্রার existence এ কোন ধরনের ঝুকি আসে তাহলে প্রোজেক্ট হাইড্রার সার্ভাইভাল মোড অন হয়ে যাবে এবং প্রোজেক্ট হাইড্রা নিজেকে একটি সিকিউর জায়গায় ট্রান্সফার করে নিতে পারবে।

দীর্ঘদিন অনলাইন থাকার কারনে প্রজেক্ট হাইড্রা এর সিকিউরিটি সিস্টেম এতটাই সুরক্ষিত হয়ে গিয়েছিলো যে নিজের অস্তিত্ত বজায় রাখার জন্য অসংখ্য ব্যবস্থা করে রেখেছিলো। যদি কোন কারনে হাইড্রা ডিএক্টিভেট অথবা সিস্টেম ফ্লাশের মাধ্যমে মুছে যায় বা মুছে দেয়া হয় তারপরও যারা প্রজেক্ট হাইড্রা কে রিএকটিভ করার সক্ষমতা রাখে এমন সোর্সের সাথে কানেক্টেড থাকতো। EonTec Corporation ছিল এই তালিকায় ২য়। আর প্রজেক্ট হাইড্রার সোর্সলিষ্টের প্রথমে ছিল ওয়েবদুনিয়া কাঁপিয়ে বেড়ানো সাইবার স্পেশালিষ্ট রাফি। তিন বছর আগে রাফি যখন প্রজেক্ট পিকাচু এর সাথে প্রজেক্ট হাইড্রা কে মিলিয়ে দেয়ার জন্য মার্জিং কোড ইনপুট করে তখন হাইড্রা নিজের সুরক্ষার জন্য সেফ মোড একটিভেট করে দেয় যেন মার্জিং অসম্পূর্ণ অথবা সফল না হলেও হাইড্রার মূল কোডিং যেন সুরক্ষিত থাকে।পিকাচুর সাথে মার্জ করার সাথে সাথে হাইড্রা অনেক বেশী শক্তিশালী হয়ে ওঠে কিন্তু প্রগ্রাম কন্ট্রোল তখনো রাফির হাতে থাকায় সে কিছুই করতে পারছিলো না। মার্ট হওয়ার কিছুক্ষন পর যখন পিকাচুর কমান্ড প্যানেল থেকে রাফি কিলকোড ইনপুট করা হয় তখন হাইড্রার আপডেটেট ভার্শনকে ফ্লাশ করে দিতে সক্ষম হয় পিকাচু, কিন্তু সেফ মোড এক্টিভ থাকায় প্রজেক্ট হাইড্রার অরিজিনাল কোডিং সুরক্ষিত অবস্থায় পড়ে থাকে সোর্সলিষ্টে থাকা কোন না কোন কোডিং ডেভলপার এর দ্বারা রিএক্টিভেট হওয়ার অপেক্ষায়। আর এই ভয়ংকর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অরিজিনাল কোডিং হাতে পেয়ে যায় EonTec corporation নামের একটি টেক কোম্পানি। EonTec সম্পর্কে কিছু কথা না বললেই নয়।

EonTec, পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সামরিক ড্রোন তৈরী ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি। পৃথিবীর শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর অত্যাধুনিক মনুষ্যবিহীন যুদ্ধাস্ত্রগুলোর অধিকাংশই এই EonTec এর সরবরাহকৃত। নিত্যনতুন প্রযুক্তি এবং গোপন প্রোটোটাইপ যুদ্ধাস্ত্র তৈরীতে পারদর্শী EonTec সর্বোচ্চ গোপনীয়তার সাথে তাদের রিসার্চ & ডেভলপমেন্ট ডিপার্টমেন্ট পরিচালনা করে। আজ পর্যন্ত EonTec এর হর্তাকর্তা ব্যাতিত কেউ তাদের কোন রিসার্চ টিমকে চোখে দেখে নি বা সনাক্ত করতে পারে নি। আজানা এসব চৌকশ গবেষকগনই EonTec এর নিত্যনতুন আবিষ্কারের মূল চালিকাশক্তি। EonTec এর রয়েছে নিজেদের তৈরি একটি কন্ট্রোল স্যাটেলাইট সহ মোট ১১ টি স্যাটেলাইট ও ১টি ফুললি ফাংশনড স্পেস স্টেশন যার মাধ্যমে সমস্ত পৃথিবীর উপর একইসাথে নজর রাখা সম্ভব।  পাশাপাশি বিশাল সিস্টেম গ্রীড, নিজস্ব নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্লান্ট ও স্টোরেজ ফ্যাসিলিটি যার প্রতিটি ক্ষেত্রে  ব্যবহৃত হয়েছে  EonTec এর নিজস্ব  অত্যাধুনিক প্রযুক্তি।  বেশ কিছু চলমান প্রোজেক্টের পাশাপাশি  স্বংয়সম্পূর্ন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স তাদের  চলমান এবং সবচেয়ে পুরাতন সিক্রেট প্রোজেক্টগুলোর ভেতর একটি। কিন্তু শুধুমাত্র কোডিং দিয়ে নয়, হিউম্যান ইন্টেলিজেন্সের মত এডাপ্টেবল এবং ক্রিটিক্যাল ইন্টেলিজেন্স তৈরী করতে চায় EonTec। ইনভেষ্টরদের হাজার হাজার কোটি ডলার খরচ করেও তারা এডাপ্টেবল কোডিং সম্পূর্ন করতে পারে না। এদিকে EonTec এমন মোটা অংকের টাকা লোকশান দিয়ে আর প্রোজেক্টটা চালাতে পারছিলো না। কিন্তু পাওয়ারফুল ইনভেষ্টরদের কোন রেজাল্ট না দেখাতে পারলে আইনী জটিলতার পাশাপাশি পথে বসতে হবে EonTec কে। তাই EonTec আসন্ন বিপদ থেকে বাঁচতে বিকল্প পথ খুজতে থাকে। তবে বছরখানেক সময় ধরে EonTec এর নিজস্ব স্যাটেলাইটগুলোর পাশাপাশি সিস্টেম ও স্টোরেজ ফ্যাসিলিটি স্বাভাবিক লোডের পাশাপাশি হ্যাভি লোড নিতে থাকে কারন প্রজেক্ট হাইড্রা EonTec এর স্যাটেলাইট ও সিস্টেম ব্যবহার করে তার নিজের কর্মকান্ড পরিচালনা করতো । হাইড্রার নিয়ন্ত্রণের কারনেই স্যাটেলাইটগুলো নিজে নিজে আনএকসেসেবল হয়ে তাদের অর্বিট চেন্জ করে ফেলতো যার জন্য  EonTec কে মোটা অংকের লোকশান ও গুনতে হয়েছে। সিষ্টেম জ্যাম হওয়ার পাশাপাশি স্টোরেজ ফ্যাসিলিটি ও আনএকসেসেবল হয়ে যেতো। এত উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করার পরও হাইড্রার কারনে এই ধরনের বড় সমস্যার মধ্যে পড়তে হয়েছে EonTec কে। টেক টিম দিন রাত চেষ্টা করেও এই সমস্যার সমাধান করতে পারে নি। বিকল্প পথ সার্ভার ও স্যাটেলাইটের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করাও সম্ভব হচ্ছিল না কারন এক. তাদের ওইসব স্যাটেলাইট ব্যবহার করেই অত্যাধুনিক ড্রোন ও মনুষ্যবিহীন যানগুলো তাদের জিও লোকেশন ও কমান্ড রিসিভ করে আর দুই. হাইড্রার কারনে সিস্টেম কোনভাবে EonTec কে কার্যক্রম চালু রেখে প্রবলেম পিনপয়েন্ট করতে দিচ্ছিলো না। তাই না চাইতেও এমন হ্যাভি  লোড তাদেরকে হ্যান্ডেল করতে হয়েছে। কিন্তু রাফি যখন সিস্টেম ফ্লাস করে হাইড্রাকে ডিজেবল করে দিয়েছিলো তার পর থেকেই EonTec এর সিস্টেম পুরোপুরি ফ্রী হয়ে যায়।  হ্যাভি ডেটা লোড বলতে গেলে একেবারেই বন্ধ হয়ে যায় এবং স্যাটেলাইটগুলোও সাডেন অর্বিটাল চেন্জ করা বন্ধ করে দেয়। EonTec তাদের স্যাটেলাইট আর সিস্টেমের ফুল কন্ট্রোল পেয়ে যায় আর আপাতদৃষ্টিতে সকল সমস্যাও দূর হয়ে যায়। হাইড্রার কন্ট্রোল বন্ধ হয়ে যাওয়ায় EonTec এর eon7x নামের একটি মিলিটারী স্যাটেলাইট হঠাৎ করেই রেস্পন্স করা বন্ধ করে দিয়ে অফলাইন হয়ে যায়। তবে কন্ট্রোল স্যাটেলাইটের মাধ্যমে নেয়া তথ্য অনুযায়ী তখনো eon7x এর সর্বশেষ স্ট্যাটাস নরমাল ই ছিলো। এছাড়াও  ডায়গনসিস রিপোর্ট ও অর্বিটাল কন্ট্রোল দুইটাই EonTec এর হাতে ছিলো কারন এই দুইটি ফাংশন স্যাটেলাইটের আলাদা একটি সিস্টেম দ্বারা কন্ট্রোলড হয় যা মেইন সিস্টেমের সাথে কানেক্টেড না। স্পেস কন্ট্রোল থেকে ডায়গনসিস রিপোর্ট চেক করে কোন সুস্পষ্ট কারন বের করা যায় নি কারন শাটডাউন হওয়ার আগমুহূর্ত পর্যন্ত সবকিছুই ঠিক ছিল। EonTec এর স্যাটেলাইট সিস্টেম ফেইল করেছে এটা কোনভাবে যদি প্রকাশ পেয়ে যায় তো EonTec এর জন্য পুরাতন ক্লায়েন্ট ধরে রাখার পাশাপাশি নতুন বিজনেস কন্ট্রাক্ট পেতে ঝামেলা হবে। তাই অতি গোপনে eon7x এর অবস্থা সরেজমিনে দেখার জন্য EonTec এর স্পেস কন্ট্রোল তাদের  স্পেস স্টেশনে থাকা ক্রু মেম্বারদের নির্দেশ দেয়। নির্দেশনা পেয়ে স্পেস স্টেশনে থাকা ক্রু মেম্বারগন কন্ট্রোল স্যাটেলাইটের মাধ্যমে eon7x কে EonTec স্পেস স্টেশনের হ্যাংগারে এটাচ হওয়ার কমান্ড দেয়। হ্যাংগারে এটাচ হবার পর ক্রু মেম্বরেরা যখন eon7x এর সিস্টেম ডায়গনসিস করে তখন তারা একটি মাষ্টার শাটডাউন রিপোর্ট ও একটা আনএকসেসেবল প্রোগ্রাম ডিটেক্ট করে যা ছিলো সেফ মোডে থাকা ঘুমন্ত প্রজেক্ট হাইড্রা। EonTec এর তাড়াহুড়া ও গোপনীয়তা রক্ষার্থে   ক্রু মেম্বারগন যত দ্রুত সম্ভব মাস্টার কী দিয়ে শাটডাউন ওভাররাইড করে দেয় কিন্তু শত চেষ্টা করেও প্রাইমারি সিস্টেম কে একটিভ করতে পারে না। কোন উপায় না পেয়ে ক্রু মেম্বারগন প্রাইমারি সিস্টেম নিয়ে ঘাটাঘাটি না করে সেকেন্ডারী সিস্টেম ইনএবল করে eon7x কে আবার ফুললি ফাংশন করে একসেস EonTec এর স্পেস কন্ট্রোল  এর হাতে তুলে দেয় এবং eon7x কে তার নিজস্ব অর্বিটে ছেড়ে দেয়। পৃথিবীতে থাকা EonTec এর স্পেস কন্ট্রোল স্টেশন eon7x এর সাথে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন করে সেকেন্ডারী সিস্টেমে eon7x এর পুরাতন  টাকসগুলো রিএসাইন করে দেয় আর প্রাইমারি সিস্টেম ফেইল এর কারন খুজতে থাকে।  যখন eon7x এর প্রাইমারি সিস্টেমের ফুল লে অাউট বের করা হয় তখন তারা আনএকসেসেবল হাইড্রা  কে খুজে পায় যা মিলিটারী গ্রেড ইনক্রিপশন দিয়ে লক করা। অনেক চেষ্টা করেও ইনক্রিপশনটি ক্রাক করা যাচ্ছিলো না। এমন সিকিউর একটা স্যাটেলাইটে কিভাবে এত ভারী ইনক্রিপশন দেয়া প্রোগ্রাম এলো যা পুরো স্যাটেলাইটকে শাটডাউন করে দিলো তাই ই খুজতে লেগে পড়ে পুরো রিসার্চ টিম। সবার প্রথমে তারা eon7x এর ডেটা হিষ্টরী ফাইল চেক করা শুরু করে যে কোথা থেকে এলো এই সিকিউর প্রোগ্রামটি। কিন্তু অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোন আন অথরাইজড একসেস পাওয়া গেল না। এমনকি এমন কোন অথরাইজড একসেস প্যানেল ও পাওয়া যায় নি যার মাধ্যমে প্রোগ্রামটি  EonTec স্পেস কন্ট্রোল বা EonTec স্পেস স্টেশন থেকে আপলোড করা হয়েছে। অবাক করা বিষয় এই যে কোন তৃতীয়পক্ষের কাছেও eon7x এর প্রাইমারি সিস্টেম এর একসেস নেই কারন সব ধরনের কমান্ড ও ডেটা; কন্ট্রোল স্যাটেলাইট হয়েই অন্যান্য স্যাটেলাইটগুলোতে ট্রান্সমিট হয় যার ভেতর eon7x একটি। তাই প্রোগ্রামটির মিলিটারী গ্রেড ইনক্রিপশন ক্রাক করা ছাড়া আর কোনভাবেই জানা সম্ভব না যে এই প্রোগ্রামটির জন্ম আর উৎস সম্পর্কে। অনেক বড় টেক জায়ান্ট কোম্পানী ও বিভিন্ন কন্ট্রাক্টরের জন্য মিলিটারী গ্রেড ইনক্রিপশন কোড তৈরী করে দেয়া EonTec তাদের ইনক্রিপশন এনালিষ্টদের হাতে প্রোজেক্টটি তুলে দেয় এবং যত দ্রুত ও গোপনীয়তার সাথে সম্ভব ইনক্রিপশন ক্রাক করার নির্দেশ দেয়। এনালিস্টগন ইনক্রিপশন ক্রাক শুরু করার সাথে সাথেই একটি পপআপ নোট তাদের স্ক্রীনে ভেসে উঠে ডিক্রিপশন প্রসেস বন্ধ হয়ে যায়। এনক্রিপশন এনালিস্ট সকলেরই একসাথে কপাল কুচকে যায়। স্ক্রীনে ভেসে আছে 

"Project Hydra" "proceed?".

প্রসিড করা ছাড়া ডিক্রিপশন পূনরায় শুরু করা সম্ভব নয় বিধায় একজন এনালিস্ট বাধ্য হয়ে কীবোর্ডের Enter বাটনটি চেপে দেয়। 

এনক্রিপশন শুরু হয়ে যায় আর খুবই ধীরগতিতে এগোতে থাকে ঘুমন্ত হাইড্রাকে জাগিয়ে তোলার প্রক্রিয়া।

.

চলবে?

.

বি.দ্র. অনেকদিন পর ফিরে এলাম আপনাদের ভালোবাসায়। গল্পটির প্লট পরিবর্তন করা হচ্ছে যার কারনে অনেক তথ্য পুনরায় ঢেলে সাজাতে হচ্ছে। গল্পাংশটি মূল গল্পে যোগ করার কারনে পর্বটি ছোট লাগতে পারে তবে গল্পের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে প্রয়োজনীয় পরিবর্ধন ও পরিমার্জন করতে হলো। বরাবরের মত এবারও গঠনমূলক মন্তব্য আশা করবো।

Post a Comment

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.