ভ্যাম্পায়ার_কুইন সিজন_2 পর্বঃ ৩২

#ভ্যাম্পায়ার_কুইন#
#সিজন_2#
পর্বঃ৩২
.
.
লেখকঃহৃদয় বাপ্পী
.
.
আমি লিম্বো ডাইমেনশনে এসে এতো বড় শক হবো সেটা বুঝতেই পারি নি। আমার কৌতহল বেরে যাওয়ায় আমি বিশাল প্যালেসটার মধ্যে প্রবেশ করলাম। বাইরে তো বড় করে এজগার্ডের সাইনবোর্ড লাগানো আছে, তবে জায়গাটার সম্পর্কে আমার কৌতহল বারছে শুধু। ভিতরে আমি কাউকে দেখতে পাচ্ছি না। পুরো প্যালেসটা একদম ভুতুরে জায়গা হয়ে আছে। যার মধ্যে কেউ নেই। প্যালেসের বাইরে থেকে সব কিছু নতুন মনে হলেও ভিতর থেকে দেখতে গেলে একদম নোংরা একটা জায়গা। কত বছর যাবৎ পরিস্কার করা হয় না এটা তার ঠিক নেই। আমার ধারনা যেটা সেটা হলো নতুন দুনিয়া তৈরীর আগেই জায়গা এটা। কারন এই প্যালেসের মধ্যে সব কিছুই আমি আগের দুনিয়ার দেখতে পাচ্ছি। অনেক যন্ত্রপাতি রয়েছে যেগুলো বিজ্ঞানের সাহায্যে চলে। আর এই নতুন দুনিয়ায় বিজ্ঞানের কোনো অস্তিত্ব নেই। আমি অবাক হলাম সব জিনিসই একদম নতুনের মতো। তবে সেগুলো এলোমেলো রাখার ফলে নোংরা লাগছে তাদের। এদের দেখে মনে হবে আজই তৈরী হয়েছে এগুলো৷ লিম্বো ডাইমেনশনের একটাই সুবিধা। এখানে সময়ের কোনো দাম নেই। এখানে ঢুকে গেলে সময় সব কিছুর জন্য থেমে যাবে। এমনকি একটা প্রানী এখানে ঢুকতে পারলে চিরজীবন বেঁচে থাকতে পারবে। তবে সমস্যা একটাই লিম্বো ডাইমোনশনে শ্বাস নেওয়ার অক্সিজেন পাওয়া যায় না। কোনো মানুষের এখানে থাকা সম্ভব হতো না আগের দুনিয়াতে। শুধু যারা ম্যাজিক দিয়ে ব্যারিয়ার তৈরী করতে পারতো তারাই কিছুক্ষনের জন্য লিম্বো ডাইমেনশনে থাকতে পারো। এমনকি আমি নিজে ডেভিল কিং হওয়ার পরও আমার লিম্বো ডাইমেনশনে বেশীক্ষন থাকতে সমস্যা হতো। তবে এই জায়গাটা অন্যরকম। প্যালেসের বাইরে আমার ম্যাজিক পাওয়ার দিয়ে একটা ব্যারিয়ারের প্রয়োজন হয়েছিলো শ্বাস নেওয়ার জন্য। তবে প্যালেসের ভিতরে সেটার কোনো সমস্যা হচ্ছে। প্যালেসের ভিতরে কি রকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে সেটা আমি বলতে পারবো না। তবে এখানে আমার একদম আগের পৃথিবীতে থাকার মতো ফিলিংস আসছে। যেখানের পরিবেশ অনেক শান্ত এবং পরিস্কার। 
।।।
।।।
আমি আস্তে আস্তে আগাতে লাগলাম। পুরো প্যালেস এক এক করে ঘুরে দেখতে লাগলাম। এখন পর্যন্ত আমি কাউকে দেখতে পাই নি এখানে। তবে আমার মনে হচ্ছে এই প্যালেসের মধ্যে কেউ আছে। কারন আমি ইলিকট্রিসিটি দেখতে পেয়েছি। কিছু বাল্ব জ্বলছে বিদ্যুৎ এর মাধ্যমে। এবং একটা বিশাল রুমে শুধু খাবার আর খাবার পরে আছে। খাবার গুলো বিভিন্ন জায়গার। বেশীর ভাগ রয়েছে আগের দুনিয়ার পৃথিবীর হালকা খাবার, বিভিন্ন ধরনের চিপস, চকলেট, কোল ড্রিঙ্কস। এগুলোতেই রুমে ভরা। পাশে একটা রুমে নেশাজাতক দ্রব্যে ভরা। বিশেষ করে মদ্য পন্য। আমি আরো এক্সপ্লোর করতে লাগলাম। সাথে দুই প্যাকেট চিপস এর প্যাকেট ও উঠিয়ে নিয়েছি আমি। আর হাটতে হাটতে চাবাচ্ছি। অনেক ভালোই লাগছে। প্রায় কয়েক লক্ষ হাজার বছর পর আমি চিপসের স্বাদ পেলাম। অবশ্য আমার জন্য সেটা হয়তো ষোলো কিংবা সতের বছর হবে। দুনিয়ার সময় নিয়ে কনফিউশনে পরে যেতাম যদি আমার স্মৃতি না সিল করা থাকতো। প্রথম থেকেই আমি আগের জন্মের কাহিনী মনে করলে বেশী কনফিউশনে থাকতাম এবং কোনো কিছু সহজে নিতে পারতাম না। কিন্তু একটা জিনিস মানতে হবে, আগের দুনিয়ায় আমার মেমোরী এতো সার্প থাকলে অনেকটা ভালো হবে। একটা জিনিস একবার পড়ে মুখস্ত করার বিষয়টা অনেক ভালোই। আমি হাটতে হাটতে শুধু শুধু চিপসের প্যাকেটের লেখা পড়ে ফেললাম। যেটা রোবটের মতো আমার মেমোরীতে সেভ হয়ে গেলো। আমি জানি না আমার মাথা কতটুকু জ্ঞান ধরে রাখতে পারবে। যদি আমি এই দুনিয়ার সমস্ত জ্ঞান আমার মাথায় ঢুকানোর চেষ্টা করি, তাহলে কি কিছু হবে আমার? আমার মনে হয় সেটা করলে আমি গাজনি হয়ে যাবো। বিজ্ঞানের দুনিয়াতেও সব কিছুর একটা লিমিট ছিলো। মানুষেরও একটা লিমিট ছিলো। হয়তো এই দুনিয়াতেও আমাদের একটা লিমিট আছে। যেটার বাইরে আমরা যেতে পারবো না।
।।।
।।।
হাটতে হাটতে অনেকটা উপরে চলে এসেছি। হাপিয়ে যাচ্ছি আমি। কারন এখানে গ্রাভিটি অনেক বেশী। নিচের দিকের টান অনেক বেশী হওয়ার ফলে হাটাচলায় বেশী সমস্যা হচ্ছে। যদিও আগের দুনিয়ায় এন্জেলরা গ্রাভিটি স্পেল ব্যবহার করতে পারতো, তবে সেটা সম্পর্কে আমার কোনো জ্ঞান নেই। আমি আগের দুনিয়ার এন্জেলদের স্পেল সম্পর্কে খুব কম জানি। এমনকি এই দুনিয়ার এন্জেলদের সম্পর্কেও কম জানি। আমি জেসির সময়ের স্পেল ব্যবহার করা দেখেই নিজে সময়ের স্পেল ব্যবহার করা শিখেছি। তবে তাছাড়া কোনো ভয়ানক স্পেল সম্পর্কে আমার জানা নেই। কিছুক্ষন কষ্ট হলেও আমি পরে বুঝতে পারলাম আমার কাছে ভ্যাম্পায়ারের ক্ষমতা রয়েছে। ভ্যাম্পায়ার যে অনেকটা ভয়ানক হয় সেটা তারা নিজেও জানে না। অবশ্য তারা নিজের ক্ষমতা কখনো পুরোপুরি ভাবে ব্যবহার করতে পারে না। শুধু কিছু সংখ্যক রয়েছে যারা তাদের ক্ষমতা পুরোপুরিভাবে ব্যবহার করতে পেরেছে, যাদের ভ্যাম্পায়ার গড বলা হতো আগের দুনিয়ায়। অবশ্য সেটা পৃথিবীতে একটা কাল্পনিক কাহিনী ছিলো। তারপরও ধারনা করা হতো সিলভার লোটাস রাজ্যের ভ্যাম্পায়ারদের চেয়ে শক্তিশালী ভ্যাম্পায়াররা পৃথিবীতে মানুষের সাথেই বাস করতো। যারা মানুষের ব্লাড খেয়ে খেয়ে এরকম ক্ষমতা অর্জন করেছিলো যে তারা তখনকার ডেভিল কিং এর সাথেও টক্কর দিতে পারতো। এসব জিনিস ধারনা করা হলেও কিছুটা সত্য আমি সেটা বুঝতে পেরেছিলাম। কারন মনস্টার ওয়ার্ল্ডেই অনেক দশজন মনস্টার ছিলো যাদের ক্ষমতা একত্রে করলে তারা ডেভিল কিং কে ও হারাতে পারতো। আমি একটু ভিতরে এবং উপরে গেলাম। 
।।।
।।।
আমি অনেক চেষ্টার পরে আমার ভ্যাম্পায়ার ক্ষমতা ব্যবহার করতে পারলাম। যেটাকে বলে গ্রাভিটি কন্ট্রোল। এটার মাধ্যমে আশেপাশের সকল গ্রাভিটি কন্ট্রোল করা যায়। যদিও এটা উড়াও কাছে কিছুটা ব্যবহার করে ভ্যাম্পায়াররা। কিন্তু আমি এটাকে এক্সট্রিমে নিয়ে গিয়েছি। আমার চারপাশের গ্রাভিটির সরে গেছে, যেটার কারনে আমি সহজে হাটতে পারছি। একদম হাটতে হাটতে আমি উপরে চলে এসেছি। আর আমার চিপসও শেষ হয়ে গেছে। তবে আসার পথে আমি একটা রুমের মধ্যে কিছু চুইগাম পায়। যেটার ডেট অবশ্য ছিলো না। তবে চাবাতে আগের মতোই লাগছিলো। বড় একটা বল ফুলিয়ে ফুলিয়ে আমি একদম শেষ রুমের দিকে চলে এসেছি। যেটা এই প্যালেসের সবচেয়ে উপরে রয়েছে। আমি ভিতর থেকে হাসাহাসির শব্দ শুনতে পেলাম। অনেক জোরে জোরে শব্দ শোনা যাচ্ছে। শব্দ গুলো এরকম
.
--এইবার যদি লোকি হেরে যায় তাহলে মুরগি হয়ে নাচবে ও।
.
--আমি হারবো না থর। হারবে তো তুমি এবার। তুমি যদি হারো তাহলে আমার চাবুকের একশো ঘা বাড়ি খাবে।
.
--হাহাহাহা। তোমরা দুজন এক দলেই, তাই তোমরা দুজনই এক সাথে হারবে।
.
--ড্রাকুলা এবার তোমার চাল দাও।
।।।।
।।।।
ভিতরে কি হচ্ছে সেটা আমি জানি না। তবে থর, লোকির নাম শোনাতে আমি আশ্চর্য না। কারন আমি এজগার্ডের সাইনবোর্ড দেখে এইটুকু তো নিশ্চিত ছিলাম। তবে সমস্যা হচ্ছে যে আওয়াজটা ড্রাকুলার নাম বললো। অবশ্য সেটা একদম আমার নিজের আওয়াজের মতো। আরো একটা জিনিস ড্রাকুলার নাম শুনে। যে কিনা পাঁচ ভ্যাম্পায়ার গডদের মধ্যে একজন। যাকে পুরো পৃথিবীর অনেক মানুষ ভয় পেতো কল্পনাতেই। সে এখানে কি করছে। আমি দরজা খুলে দিলাম। ফ্লোরের উপরে খাবারের বিভিন্ন জিনিস পরে আছে, সফট ড্রিঙ্কস এবং মদের বতলও পরে আছে। একপাশে বসে আছে লোকি এবং থর। আরেকপাশে বসে আছে ড্রাকুলা, যাকে আমি প্রথমবার দেখলাম। তার লাল চোখ এবং দাত দেখেই আমি বুঝতে পারলাম সে ড্রাকুলা। যদিও আগে শুধু কাল্পনিক জিনিসেই তার নাম শুনেছি। আমি মনস্টার দুনিয়ায় গিয়েও তার সম্পর্কে কিছু শুনি নি। শুধু এটুকুই জানতাম পৃথিবীতে অনেক শক্তিশালী ভ্যাম্পায়ার রয়েছে, যারা ডেভিল কিং এর সমান ছিলে শক্তিতে। তবে তারা সে মনস্টার ওয়ার্ল্ড থেকে পৃথিবীতে চলে যায় ভালোবাসার কারনে। আর পৃথিবীতেই মানুষের মাঝে বসবাস করে। যদিও এটা আগের দুনিয়ার কাহিনী।
।।।।
।।।।
ড্রাকুলার পাশে যে বসে ছিলো আমি তাকে দেখে অবাক হলাম। একদম আমার মতো দেখতে সে। শুধু তার পুরো শরীর কালো হয়ে আছে। আমি বুঝতে পারলাম সে আমার ডেভিল সত্ত্বা। কিন্তু সে এখানে কি করছে কিছুই বুঝতে পারছি না। আমাকে দেখে থর বলতে লাগলো,
.
--যাক শেষ মেষ আসল জ্যাক এসেছে এখানে। আমি চিন্তাই পরেছিলাম হয়তো এই জায়গা থেকে কখনো বের হতে পারবো না।(থর)
।।।
।।।
পরিস্থিতি বুঝতে আমার সমস্যা হচ্ছে। থর, লোকি, ড্রাকুলা এবং আমার ডেভিল সত্ত্বা চারজন বসে লুডু খেলছে আর মদ্য পান করছিলো। অবশ্য আমার সত্ত্বার কিছু খেতে বা পান করতে হচ্ছিলো না। মোট কথা আমি তাদেরকে দেখে শিহরিত। সবচেয়ে বেশী শিহরত আমার ডেভিল সত্ত্বাকে দেখে। কিছুক্ষন তাদের সাথে কথা বলার পর আমার ডেভিল সত্ত্বা আমার সাথে কথা বলার জন্য চলে বাইরে আসলো।
.
--এতোদিনে তো বাকি তিনটা সত্ত্বা পেয়ে গেছো তাই না।(ডেভিল সত্ত্বা)
.
--হ্যা। এখন তোমাকেও পেয়ে গেছি।(আমি)
.
--হ্যা। তবে দুঃখের ব্যাপার হলো। আমার ক্ষমতা তোমার মাঝে যেতে পারবে না।(ডেভিল)
.
--কেনো?(আমি)
.
--আমি সঠিক করে বলতে পারছি না। তবে তোমার চার সত্ত্বাকে সিল করার সময় আমি আমার আসল শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে লিম্বো ডাইমেনশনে আটকা পরি। তবে আমার প্রধান শরীর দুনিয়াতেই থাকার কথা ছিলো।(ডেভিল সত্ত্বা)
.
--ওওওও। হয়তো আমার ব্যাগের মাঝে বইয়ের মধ্যে সিল রয়েছে।(আমি বইটা তার তাকে দেখালাম)
।।।
।।।
ডেভিল সত্ত্বা বইয়ের উপরে হাত দিয়ে বললো,
.
--এটার মাঝে আমার শরীর বন্ধী নেই। আমি কেনো প্রকারের ম্যাজিক পাওয়ার অনুভব করতে পারছি না।(সত্ত্বা)
.
--তাহলে কি সেটা অন্য জায়গায় সিল রয়েছে?(আমি)
.
--সেটা আমি বলতে পারবো না। তবে আমার প্রধান শরীরের ক্ষমতা আমি কারো মধ্যে ফিল করছি যেটা দুনিয়াতে কোথাও এক জায়গায় ঘুরে বেরাচ্ছে।(সত্ত্বা)
.
--তুমি সিওর?(আমি)
.
--আমি প্রধান শরীরের একটা অংশ। যদি লিম্বো ডাইমেনশনে না থাকতাম তাহলে প্রধান শরীরের মধ্যেই থাকতাম। তবে দুঃখের ব্যাপার আমি জীবিত থাকতাম না আর। তবে আমি এখান থেকেই আমার ক্ষমতা যার মধ্যে তাকে ফিল করতে পারছি কিছুটা।(সত্ত্বা)
.
--সে কে?(আমি)
.
--আমি সেটা বলতে পারছি না। কারন ডাইমেনশনের অনেক দূরত্ব। এজন্য সঠিক করে বলা যাচ্ছে না। এতোদিন আমি ফিল করি নি। তবে আজকেই বুঝতে পারছি।(সত্ত্বা)
.
--ওওওও। হয়তো সেটা তোমার ক্ষমতা সকল বর্তমান ডেভিল কিং এর কাছে গিয়েছে।(আমি)
.
--নতুন ডেভিল কিং কিরকম? আমাদের থেকে শক্তিশালী নাকি?(সত্ত্বা)
.
--হ্যা বলা যায়।(আমি)
.
--তুমি তোমার শরীরে শুধু আমার স্থান দিলে তুমিই সবচেয়ে শক্তিশালী হতে।(সত্ত্বা)
.
--আমি অবাক হচ্ছি।(আমি)
.
--কেনো?(সত্ত্বা)
.
--তোমার মাঝে আগের মতো রাগ, প্রতিবাদ তেমন নেই।(আমি)
.
--কারন আমি তোমার সত্ত্বার একদম ছোট একটা অংশ। আমার মাঝে পুরো ইমোশন নেই।(সত্ত্বা)
.
--এক কাজ করো তোমার ঔ ছোট ক্ষমতাই আমাকে দিয়ে দাও, কাছে দিবে।(আমি)
.
--তোমার মাঝে যেহেতু বাকি সত্ত্বাগুলোর ক্ষমতা রয়েছে, এর মানে বাকি সত্ত্বাগুলো তাদের ক্ষমতা তোমাকে দিয়েছে, এর বিনিময়ে তারা তোমার শরীরে জায়গা পাই নি। বরং চিরদীনের জন্য হারিয়ে গেছে। আমার এই সামান্য শক্তিতে কিছুই হবে না তোমার। আর এটুকু দিয়ে আমি তাদের মতো হারিয়ে যেতে চাই না।(সত্ত্বা)
.
--তুমি তো আমারই সত্ত্বা। এটা তো তোমার দায়িত্ব।(আমি)
.
--হ্যা আমার দায়িত্ব, তবে আমি দিতে চাই না। আমি এভাবেই ভালো আছি। তুমি এক কাজ করো, দুনিয়ার মধ্যে যে ডেভিল কিং রয়েছে তাকে মেরে তার হৃদপিণ্ড খেয়ে ফেলো, তাতে করে আমার আসল শরীরের সমস্ত ক্ষমতা তুমি পেয়ে যাবে।(সত্ত্বা)
.
--তুমি অনেক জেদি।(আমি)
।।।
।।।
আমার ডেভিল সত্ত্বার সাথে অনেকক্ষন কথা বললাম, কিন্তু সে বেচে থাকতে চাই। আমারও খারাপ লাগছে তার ক্ষমতা নেওয়ায়। এমনিতেই তার ম্যাজিক পাওয়ার অনেক কম, যেটা আমার কোনো কাজে দিবে না। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন কাজ হলো আমার থরকে দিয়ে। থরের থেকে আমি ট্রেনিং নিতে পারবো এখানে। আমি আবারো রুমের মধ্যে চলে আসলাম। আমি ট্রেনিং এর কথা থরকে বলতে যাবো এমন সময় ড্রাকুলা তার ক্ষমতা ব্যবহার করলো। আমার চারিদিক দিয়ে গ্রাভিটি একদম বেরে গেলো। যেটা আমাকে সাথে সাথে একদম ফ্লোরে ফেলে দিলো। আমার মুখের অনেকটা জায়গা কেটে গেলো গ্রাভিটির চাপে ফ্লোরে গুতা লেগে।
.
--শুনতে পেলাম তোমার নাকি ট্রেনিং এর প্রয়োজন। সেটা থর কেনো? আমিও শিখানে পারি কিছু।(ড্রাকুলার)
।।।
।।।
ড্রাকুলার কথা শুনে বুঝতে পারলাম সে আমার মাইন্ড রিডিং করেছে। আর তার গ্রাভিটি কন্ট্রোল করার যে ক্ষমতা রয়েছে এটা মারাত্মক। আমি নিচে পরে যাওয়ায় ফ্লোর অনেকটা ভেঙে গেছে। যদিও একটু পর সেটা আপনাআপনি ঠিক হয়ে গেলো।
।।।।।
।।।।
।।।
।।
(((চলবে)))
।।
।।।
।।।।
।।।।।
অপেক্ষা করুন পরবর্তী পার্টের জন্য। কেমন হলো জানাবেন। 

إرسال تعليق

Cookie Consent
We serve cookies on this site to analyze traffic, remember your preferences, and optimize your experience.
Oops!
It seems there is something wrong with your internet connection. Please connect to the internet and start browsing again.
AdBlock Detected!
We have detected that you are using adblocking plugin in your browser.
The revenue we earn by the advertisements is used to manage this website, we request you to whitelist our website in your adblocking plugin.
Site is Blocked
Sorry! This site is not available in your country.